মঙ্গলবার, আগস্ট ৩, ২০২১
ঢাকা আজ-মঙ্গলবার; ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ;দুপুর ২:২৪;বর্ষাকাল
Homeদেশজুড়েঢাকা বিভাগআশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়নে স্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক গরু-ছাগলের হাট বসানোর পরিকল্পনা চেয়ারম্যানের

আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়নে স্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক গরু-ছাগলের হাট বসানোর পরিকল্পনা চেয়ারম্যানের

আশুলিয়া থানাধীন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের মির্জানগর বাঁশবাড়ি এলাকার ঘোড়াপীর মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত কোরবানির পশুর হাটের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) বিকাল ছয়টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক তিনবারের সফল চেয়ারম্যান জনাব মোঃ ফিরোজ কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই হাটের শুভ উদ্বোধন করেন।

হাটের ইজারাদার স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শফি উদ্দিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখানে গরুর পাইকার যারা সারাবছর গরু বিক্রীর সাথে জড়িত, তারা সম্মিলিতভাবে যদি চেষ্টা করে তবে এখানে একটি গরুর হাট স্থায়ীভাবে বসানো সম্ভব বলে আমি মনে করি। আর গরুর ব্যাপারি এবং সারাবছর যারা গরুর মাংসের ব্যবসার সাথে জড়িত, তারা যদি এই হাটটি এখানে পরিচালনা করতে চায় এবং হাটটি যদি এখানে জমে, তাহলে আমার পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই। এখানে হাট বসানোর সরকারি যে পারমিশন লাগে, আমি সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সেটা করার চেষ্টা করবো এবং ইনশাআল্লাহ সেটা আমি করতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।

একটা স্থায়ী হাট যদি এখানে হয়, এই হাটকে কেন্দ্র করে এই মাজার এলাকা, এই বাজার এসব আরও উন্নত হবে। এখানে আরও হোটেল হবে, এখানে গণবিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, মোটকথা এখানে এই হাট হলে একে কেন্দ্র করে এখানে বসবাসরত মানুষের অর্থনীতি আরও উন্নত হবে।

ধামসোনা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শফি উদ্দিন ইজারাদার বলেন, এখানে আমরা যে হাটটি শুভ উদ্বোধন এর জন্য এসেছি সেই হাটটি এখানে উপস্থিত দুইজন মানুষের সার্বিক সহযোগিতায় এই হাটটি আনা সম্ভব হয়েছে।

উনারা হলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ফিরোজ কবির ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ন আহবায়ক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের নেতা জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম।

শফি উদ্দিন আরও বলেন, এই পশুর হাটের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি আরও বলেন এই দু’জনের কাছে এলাকাবাসির সকলের পক্ষ থেকে আমাদের দাবী, এই হাটটিকে যেন স্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক গরুর ছাগলের হাট হিসেবে পরিণত করা হয় ।

এব্যাপারে আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান এর কথা অনুযায়ী গরুর পাইকার এবং অন্য যারা এই ব্যবসা করে তাদের সাথে কথা বলেছি এখানে স্থায়ী হাটের বিষয়ে। তারা এখানে হাট স্থাপনে খুশী মনে রাজী হয়েছেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, মানুষ দূর থেকে মনে করে বাঁশ-খুটা গাড়লেই বুঝি গরুর হাট হয়ে যায়। গরুর হাট করা অনেক কঠিন, অনেক পরিশ্রম করতে হয় । যারা এই হাটের সাথে সম্পৃক্ত, তারা জানেন কত কষ্ট করতে হয় এই হাটের জন্য। এই হাটের আয়োজকদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, যে সমস্ত ক্রেতা এই হাটে গরু কিনতে আসবেন, তারা যাতে হাট কর্তৃপক্ষ দ্বারা কোনো ধরণের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষভাবে আপনারা খেয়াল রাখবেন।

আর যারা গরুর পাইকার, যারা গরু বিক্রী করবেন, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আপনাদের সর্বপ্রথম লক্ষ্য রাখতে হবে। তাদের নিরাপত্তা যেন কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয় এবং হাট কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের দ্বারাও যেন কোনোভাবে তারা সমস্যায় না পড়েন।

এজন্য সকল এলাকাবাসীর প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা প্রত্যেকেই নিজের হাট মনে করে নিজ নিজ দায়িত্ব যদি পালন করেন, তাহলে এই হাটে কোনোধরণের বিশৃংখলার সৃষ্টি হবেনা এটা আমার দীর্ঘ বিশ্বাস। গতবারও এরকম কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না এটা আমি আশা করি।

 

পরে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন। মিলাদ শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে ‘তবারক’ বিতরণ করা হয়।

 

এই বিভাগের আরো

সর্বশেষ সংবাদ

- Advertisment -
Google search engine

সর্বাধিক জনপ্রিয়