ঢাকাশনিবার , ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

চুয়াডাঙ্গার বদরগঞ্জের ওয়াকফ এস্টেট সম্পতির কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মোতাওয়ালি শওকতের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টর ঝিনাইদহ
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২২ ২:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বদরগঞ্জে ৫টি ওয়াক্ফ এস্টেটভুক্ত সম্পত্তির কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত মোতাওয়াল্লীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ওয়াক্ফ এস্টেটের প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন সংশ্লিষ্ঠ ওয়াক্ফ এস্টেট পরিবারের সদস্য আব্দুস সামাদ সোহাগ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গেল মঙ্গলবার কুষ্টিয়া ওয়াক্ফ এস্টেট কর্তৃপক্ষ তদন্তে এসেও আগে থেকে সেখানে অবস্থানরত স্থানীয়দের তোপের মুখে তদন্ত না করেই ফিরে যান ওয়াক্ফ এস্টেট কর্তৃপক্ষ। তবে, অভিযোগ অশ্বিকার করেন ওয়াক্ফ এস্টেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোতাওয়াল্লী শওকত হাসান। তিনি বলেন, ওই সম্পত্তির আয়কৃত অর্থের সবই সঠিকভাবে ব্যায় করা হয়েছে। অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ঠ ওয়াক্ফ এস্টেট পরিবারের সদস্য আব্দুস সামাদ সোহাগ জানান, তার দাদা বদর উদ্দীন আহামেদ স্থানীয় আলিয়ারপুর জুম্মা মসজিদ ও কবরস্থান, আলিয়ারপুর মাদরাসা, গোরস্তান, সাধুহাটি এম.ই স্কুল ও ঝিনাইদহ ওল্ড স্কিম মাদরাসার উন্নয়ন বাবদ খরচ-খরচার জন্য প্রায় ৫.৬৩ একর জমি ওয়াক্ফ করে যান। সংশ্লিষ্ঠ ওয়াক্ফ এস্টেট পরিবারের সদস্য শওকত হাসান ১৯৯৩ সাল থেকে ওই সম্পতির নিযুক্ত মোতওয়াল্লী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু বিগত ২৯ বছর তিনি এসব সম্পতির আয় নিজে ভোগ করে আসলেও ওয়াক্ফ এস্টেটভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন করেন নি। এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণ বারবার তাকে আয়ের তথ্য জানানোর জন্য বললেও তিনি তা কর্ণপাত করেন নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। সংশ্লিষ্ঠ ওয়াক্ফ এস্টেট পরিবারের মোতাওয়াল্লী শওকত হাসান বলেন, আমি দায়িত্বে থাকার পর থেকে ওই সম্পত্তির আয়কৃত সকল অর্থ সঠিকভাবে ব্যায় করা হয়েছে। ওয়াকফের টাকা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ৯ শতক জমি ও বদরগঞ্জ যাত্রী ছাউনির পাশে ৩৯ শতক জমি কেনা হয়েছে। বদরগঞ্জ বাকী বিল্লা কামিল মাদরাসা শুরুতে ১৫ শতক জমির উপর ছিলো। বাকী বিল্লা কামিল মাদরাসা বর্তমানে ৭ একর জমির উপর অবস্থান করছে। সেখানে আগে একটা ভবন থাকলেও ওয়াকফের টাকা দিয়ে সেখানে তৃতীয়তলার একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর গ্রামে জুম্মা মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য ৬০ শতক জমি কিনে দেয়া হয়েছে। সাধুহাটি এম.ই স্কুল ও ঝিনাইদহ ওল্ড স্কিম মাদরাসার উন্নয়ন বাবদ খরচ করা হয়। তিনি আরও বলেন, আগে আয় থাকলেও বর্তামানে আয় একেবারেই কমে গেছে। আগে এখানে একটি গরুর হাট থাকলেও ২০১৯ সালের মার্চ মাসে ওই গরুর হাট স্থানান্তরিত করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সে কারনে ওয়াকফের আয় একেবারেই কমে গেছে। বর্তমানে সেখানে তরিতরকারির বাজার বসানো হয়েছে। সেখান থেকে আগের মতো আয় হয়না। বদরগঞ্জ বাজারে যে দোকান গুলো আছে তারমধ্যে কয়েকটি দোকান চললেও তারাও ঠিকমতো ভাড়া দেয়না। মোতাওয়াল্লী শওকত হাসান আরও বলেন, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আমি চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের নিকট একটি আবেদন করেছি। এদিকে, বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আলিয়ারপুর জুম্মা মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুস সালাম বলেন, ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লীল কাছ থেকে আমরা নিয়মিত অনুদান পেয়ে থাকি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকেই বলেন, শওকত হাসান স্বচ্ছতার সাথে দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ হাসানুজ্জামান মানিক বলেন, মোতাওয়াল্লী ব্যাপক অনিয়ম করেছেন। তার বিচার হওয়া দরকার। তিনি দানের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। অপরদিকে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার কুষ্টিয়া ওয়াক্ফ এস্টেট অফিসের হিসাব নিরীক্ষক সজল মিয়া তদন্তে আসলেও তদন্ত না করেই তিনি ফিরে যান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সজল মিয়ার মোবাইল ফোনে কল করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সেখানে তদন্তে গেলেও সেখানে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তদন্ত না করেই সেখান থেকে ফিরে আসতে হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।