ঢাকাবুধবার , ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

ঝিনাইদহে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে খাল খননে আবাদী জমি নষ্ট করাই কৃষকদের অভিযোগ

সাইফুল ইসলাম ডাকবাংলা প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২২ ২:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে রাজারাম খালটি পুনঃখনন খননের মাটি দিয়ে কৃষকদের জমিতে পাড় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এলাকার কৃষকদের শত শত বিঘা আবাদি জমি নষ্ট করে পাড় তৈরির বিষয়টি কৃষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে খালটি পুন:খনন করতে সিন্ধান্ত নেয় কতৃপক্ষ। কিন্তু খননের মাটি মালিকানাধীন জমিতে ফেলে শুধু পাড়ই তৈরি করা হয়নি। সেখানে মালিকানা জমির ফসল ও ঘরবাড়িতে মাটি ফেলে নষ্টের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধুহাটি ইউনিয়নের বেড়াশুলা ও জিয়ালা গ্রামের কৃষকরা।
বর্তমান এই এলাকার কৃষক ও খাল পুন-খননের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিরোধী অবস্থান নেয়ায় বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ৬ দিন মধুহাটি ইউনিয়ন অংশে কাজ বন্ধ রয়েছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী লোকজন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, রাজারাম খালটি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি, গান্না এবং সাগান্না ইউনিয়নের গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে একপান্ত বেগবতি নদীতে মিলেছে। খালটি পূর্বে এলাকার কৃষকদের উপকারে আসলেও ভরাট হয়ে যাওয়ায় বেশ কয়েক বছর পানিনিষ্কাশনের জন্য খালটি তেমন উপকারে আসছিল না।
বর্তমান সরকার ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়) (প্রথম সংশোধিত) এই প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রাজারাম খালের ১১ দশমিক ৬৭৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ করতে অনুমতি দেয়। কাজটি করার জন্য ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ডাব্লু ১০/২০২০/২১ প্যকেচ প্রদান করা হয়। যার প্রাককালীন মূল্য নির্ধারণ হয় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার ৪১ টাকা ৩২ পয়সা। চুক্তি মূল্য ২ কোটি ২৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩৭ টাকা ৮৮ পয়সা। এই খালের পুনঃখননের কাজটি পান কুষ্টিয়ার চৌরহাসের মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লা। কতৃপক্ষ তাকে ২৫/০৪/২১ তারিখে কার্যাদেশ প্রদান করেন এবং ২৬/০৪/২১ তারিখে প্রতিষ্ঠানটি পুনঃখনন কাজ শুরু করেন। বর্তমান এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ও খনন কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরোধে কাজটি মধুহাটি ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় কাজ বন্ধ রয়েছে।

এবিষয়ে মধুহাটি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বিশ্বাস বলেন, খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে এলাকার কৃষকদের উপকারের জন্য। কিন্তু খননের মাটি ফেলে, কৃষকদের শতশত আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে এটা দুঃখজনক। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কৃষকদের ক্ষতির বিষয়ে কথা বলেছি। তারা দ্রুত একটা সমাধান দিবেন বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মহসিন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের নিজেদের জমিতে খালটি পুনঃখনন কাজ করছেন। পাড় তৈরির জন্য সাময়ীক ভাবে খননের মাটি কৃষকদের জমিতে পড়েছে। তারা কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কাজটি চলমান। খালের পাড়ে ডাইপ দেবার সময় মাটি সরিয়ে নেয়া হবে। এরপরেও যদি মাটি কৃষকদের জমিতে থেকে যায় এবং কৃষকরা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এমন হয়, তাহলে মাটি সরকারের নিয়মানুযায়ী সরিয়ে নেয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।