ঢাকাবুধবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

দামুড়হুদায় পাটের বীজে লাভবান চাষিরা

হাবিবুর রহমান,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২ ২:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পাটের বীজ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছে চাষিরা। কম খরচ ও অল্প শ্রমে এই বীজ উৎপাদন করতে পারায় লাভবানও হচ্ছেন তারা।চলতি বছর পাটবীজ উৎপাদন করে সাড়া ফেলেছেন উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক রচনা আলি। তিনি পৌনে চার বিঘা জমিতে পাটের বীজ উৎপাদন করেছেন।উপজেলা পাট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১০৫ একর জমিতে ৫০ জন কৃষক বীজ উৎপাদনের জন্য চাষ করেছেন। চাষিদের উৎপাদিত এই বীজ উপজেলা পাট অধিদপ্তর আট হাজার টাকা মণ দরে ক্রয় করছেন।এরই মধ্যে অনেক চাষি তাদের উৎপাদিত বীজ বিক্রয় করেছেন।লক্ষীপুর গ্রামের চাষি রচনা আলি জানান, পাটের বীজ উৎপাদন করতে তেমন কোনো শ্রম ও খরচ করতে হয় না। পৌনে ৪ বিঘা জমিতে তার ১৪ মণের ওপরে বীজ উৎপাদন হয়েছে।তার এই জমি চাষের জন্য উপজেলা পাট অধিদপ্তর থেকে বীজ, সার, বালাইনাশক ও স্প্রে-মেশিন বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও তার সেচ, সার ও বালাইনাশক দিয়ে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। বীজ বিক্রি হয়েছে ১ লক্ষ ১৩হাজার ৬০০ টাকায়। সকল খরচ বাদ দিয়ে তার লাভ হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা।একই গ্রামের ছাকবার আলি ও হেমায়েতপুর গ্রামের চাষি শওকত আলি জানান, উভয়ে তিন বিঘা করে এই চাষ করেছেন।তাদের গাছ খুব ভালো ছিলো। কিন্তু ফুল আসার পর বৃষ্টি হওয়ায় তাদের ফলন অনেকাংশে কুমে গেছে। ছাকবার আলির তিন বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকার মতো, বীজ উৎপাদন হয়েছে ৬ মন ৩৫ কেজি। বিক্রি হয়েছে ৫৫ হাজার টাকায়। খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। একইভাবে শওকত আলির বীজ হয়েছে ৬ মন ৩৩ কেজি, বিক্রি হয়েছে ৫৪ হাজার ৬০০ টাকায়। খরচ বাদে লাভ হয়েছে প্রায় ২২হাজার টাকা।উপজেলা পাট অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম জানান, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে বীজ উৎপাদনের জন্য বপনের উপযুক্ত সময়। তিন মাসের এই ফসল যারা সঠিক সময়ে বপন করেছে তাদের ফলন ভালো হয়েছে। দেরিতে বপন করা চাষিরা বৃষ্টির কারণে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফুল শুরু হলে বৃষ্টি হওয়ায় তাদের ফলন কম হয়েছে। তবুও কম বেশি লাভ হয়েছে। বীজ বিক্রয়ের কোনো ঝামেলা নেই। আমরা সরকারিভাবে ২০০ টাকা কেজি দরে ক্রয় করছি।উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, উপজেলায় পাট বীজ উৎপান বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা নিয়মিত এ সকল চাষিদের ক্ষেত পরিদর্শন করছি। চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।