ঢাকাসোমবার , ৬ ডিসেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

দামুড়হুদায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ভাড়া পেল ঠিকাদার

মানবতা ডেস্ক নিউজ
ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজ বসত বাড়ি থাকতেও প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মোক্তারপুরের আব্দুল মজিদ। সেই ঘরে তিনি নিজ বসবাস করেন না। মাসিক ৩ হাজার ৫ শ টাকা চুক্তিতে ভাড়া দিয়েছেন এক ঠিকাদারের কাছে। বসতবাড়ি থাকা আবস্থাতেও কীভাবে আব্দুল মজিদ এই ঘর পেল এবং সরকারি ঘর কীভাবে ভাড়া দিল এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করতে সচেতনমহল ও স্থানীয় হতদরিদ্ররা দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আক্তারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা যায়, সারা দেশের ন্যায় দামুড়হুদা উপজেলার কয়েকটি স্থানে যাদের জমি আছে ঘর নেই তাদের জন্য ঘর নির্মাণ করে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই ঘরের মধ্যে একটি ঘর বরাদ্দ পাই দামুড়হুদা উপজেলার মোক্তারপুর গ্রামের ফলেহারের ছেলে আব্দুল মজিদ। ঘর বরাদ্দের ১ বছর পার না হতেই আব্দুল মজিদ সে ঘর মাসিক ৩ হাজার ৫শ টাকা চুক্তিতে ভাড়া দেয় ঠিকাদার একেএম ফয়জুলের নিকট। বর্তমানে সেই ঘরে বসবাস করছে ঠিকাদার ফয়জুলের দুই শ্রমিক আজিজুল ও কাউছার। এমন ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘর নির্মাণের সময়ও বার বার বাঁধা দিয়েছিলো এলাকার সাধারণ জনগণ। তাদের প্রশ্ন আব্দুল মজিদের নিজের বাড়ি ও মাঠের জমি থাকা আবস্থায় কেন এ ঘর পাবে? যে সত্যিকারের দুস্থ ও ভিটে জমি নাই এমন কারও মূলত এই ঘর পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেসময় গ্রামের সাধারণ মানুষের কথায় কোনো কাজ হয়নি। নিজ বাড়ি ও মাঠের জমি থাকা সত্বেও আব্দুল মজিদ অনেকটা অনৈতিকভাবেই প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই ঘর পেয়েছেন। এখন যার প্রমাণ মিলছে। আব্দুল মজিদ নিজের বাড়িতে বসত করে সরকারি ঘরটি ভাড়া দিয়েছে।

কিন্ত এ ঘর হস্তান্তর করার আগে সরকারি নিদের্শনা ছিল কেউ যদি এই ঘরে বসবাস না করে অন্য কোথাও থাকে তাহলে এ ঘর অন্যজনকে দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তার উল্টোটা হচ্ছে। তাই এলাকাবাসীর দাবি সত্যিকারের দুস্থ কাউকে দিলে ঘরটি সে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। তা নাহলে সরকারি বরাদ্দ ঘর নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাবে আব্দুল মজিদ। যে কারণে এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আক্তারের নিকট আবেদন জানিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসলিমা আক্তার বলেন, ‘ ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।