1. manobatatelevision@gmail.com : admin :
  2. chuadangatimes24@gmail.com : Manobata Television : Manobata Television
দু’যুগ ধরে সুইচ গেট অকেজো তাই কালীগঞ্জে কৃষকদের ভাগ্যে জোটেনি বোরো ধান চাষ! » Manobata Television: Bangla online Tv
ঢাকা আজ-বৃহস্পতিবার,৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,সকাল ৬:৩০,গ্রীষ্মকাল
সর্বশেষ প্রকাশিত
যশোরের শার্শা থেকে ০৪ কেজি গাঁজা সহ মহিলা আটক নোয়াখালী পৌর মেয়র সোহেলের নিজ অর্থায়নে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য অক্সিজেন ব্যাংক উদ্বোধন এবার দৈত্য হয়ে আসছে হিরো আলম দারাজের সাথে সোয়াপের চুক্তি স্বাক্ষর মেটলাইফ প্রিমিয়াম পেমেন্টের মাধ্যম হিসাবে যুক্ত হলো নগদ পাইকগাছায় মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি জীবননগরের ভ্রাম্যমান অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ১০,০০০টাকা জরিমানা কাল থেকে গণপরিবহন চলবে হিলিতে বোর মৌসুমের ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন ঝিনাইদহে আম চাষে লোকসানের শঙ্কা হিলিতে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে যুবক আটক দামুড়হুদায় বরাদ্দকৃত অর্থের চেক বিতরণ ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত গরীব ও দুঃস্ত মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন অনুষ্ঠানে এমপি টগর জেনে নিন হাঁপানির উপসর্গ ও সুস্থ থাকার উপায় চুয়াডাঙ্গায় “আল্লার দান-ই বাইক সেন্টার” উদ্বোধন সব হারালাম- হাফিজুর রহমান চরিত্র প্রধান ছবিতেই কাজ করতে চান আচল লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হেফাজতের আরও দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি জি-গ্যাস ও এডিএ’র যৌথ উদ্যোগে মাইক্রো ওয়েব সিরিজ মিডলক্লাস দিনরাত্রি

দু’যুগ ধরে সুইচ গেট অকেজো তাই কালীগঞ্জে কৃষকদের ভাগ্যে জোটেনি বোরো ধান চাষ!

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ
  • প্রকাশিত রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:২০: পূর্বাহ্ণ
  • ১২ বার দেখা
Manobata Tv m tvnews.com kaligonj pic

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে উপজেলার শিরিশ কাঠ খাল কেটে কৃষকদের ফসল চাষের সুযোগ ভাগ্যে জোটেনি। কালের স্বাক্ষীর মত দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় দু’যুগ ধরে। সুইচ গেট অকেজো থাকায় বোরো ফসল চাষের কোন উপকারই আসে না এলাকার কৃষকদের।

বলরামপুর গ্রামের পল্লি চিকিসক রেজাউল ইসলাম জানান, কুল্টিখালি খালটি মাটি কেটে এলাকার ৬ গ্রামের কৃষকরা ধান,পাট, ছোলা,মশুরি, আখসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করবে এমন চিন্তা ভাবনা করেছিল কৃষি বিভাগ। সে লক্ষে ১৯৯৮/৯৯ সালে ঝিনাইদহ এলজিইডি খালটি খনন করে দু,নলা সুইচ গেট তৈরি করে। নিমান করতে ব্যায় হয়েছিল ৩২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৮ টাকা।

এ খালে পানি বদ্ধ রেখে বলরামপুর, ভোলপাড়া, হরিগোবিন্দপুর,বলাকান্দ,মহেশ^রচাদা, আড়-য়াশৈালসহ একাধিক গ্রামের কৃষকরা এ পানি দিয়ে তাদের জমির ফসল চাষ করবে। কিন্তু দীর্ঘ ২৪ বছর ধোরে কোন উপকার কৃষকরা পায়নি। কুল্টিখালি খালের পানি দিয়ে প্রায় ২০হাজার হেক্টর জমির ফসলে আবাদ হবার কথা ছিল। সে সময়ে এলাকার কৃষকদের ভাগ্যে পরিবর্তনের চিন্তা করে কৃষি বিঞ্জানী ডঃ গুল হোসেন ও কমরেড় উমর আলীর যৌথ চেষ্টায় কুল্টিখালির খালের উপর সুইচ গেট তৈরি করেছিল। সে সময়ে নির্মান কাজে ও ব্যাপক ত্রæটি হয়েছিল বলে কৃষকরা কোন উপকার পায় নাই। এ প্রকল্পের পানি বন্ধন থাকবে ও এলাকার কৃষকরা খালে মাছ, হাসের চাষ ও খালের দু,পাশে বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষ রোপন করবে। কিন্তু কোন কিছুই বাস্তবায় হয়নি।

সুইচ গেটটি ২৪ বছর ধরে অকেজো রয়েছে। এলাকার কৃষকরা বলছেন সুইচ গেট অকেজো থাকায় ও খালটি শুকিয়ে চৌচির হবার কারণে আমাদের কাজে আসছে না। সুইচ গেটের ঢালা মেরামত না করায় ও খালটি সংস্কার না করার কারণে খালে পানি জমাট হয় না। বর্তমানে মরা খালে পরিনত হয়ে রয়েছে। দাঁড়িয়ে রয়েছে কালের স্বাক্ষী সুইচ গেটছি। গেটের শ্লাবের উপরে এলাকার মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করছে। খালের উপর অপ্রয়োজনীয় সুইচ গেইট নির্মাণ এর ফলে সরকারের অপচয় হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩২ লাখ টাকা টাকা। ১৯৯৮ সালে এ টাকা ব্যায় করে। সে সময়ে ডঃ গুল হোসেন, কমরেড উমর আলী, তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল হক লিটনসহ অনেকেই বিভিন্ন দপ্তরে সুইচ গেটটি চালু করনের জন্য যোগাযোগ করেন। কিন্তু কোন কিছুতেই কাজে আসেনি। সময়ের ব্যবধানে একদিকে যেমন খালবিল ভরে সমতল ভূমিতে পরিনত হয়েছে অন্যদিকে উপজেলায় পাকা রাস্তা নির্মানের ফলে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

এই এলাকার কৃষক ফসল উৎপাদনে সেচ নির্ভর হয়েছিল কুল্টিখালি এই সুইচ গেটটি। কিন্তু কৃষকরা আজ বি ত হয়ে রয়েছে। কৃষিখাত পড়বে হুমকির মুখে বলে এলাকার জনগন দাবি করেন। তাই সুইচ গেইট নির্মান করলে খালের ও খালটি খনন করে পানি ধারনের উপযোগী করলে কৃষকরা উপকার পাবে। এলাকার কয়েক হাজার কৃষক জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। পানি দেওয়ার বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বোরো জমি চাষের পর ফাল্গুন-চৈত্র মাসের শেষের দিকে বৃষ্টির জন্য কৃষকদের অপেক্ষা করতে হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, এখন আর জমিতে পানি দেওয়ার জন্য বৃষ্টির অপেক্ষা করতে হয় না। কৃষকরা তাদের প্রয়োজনীয় পানির জন্য নিজেরা স্যালো মেশিন বসিয়ে নিয়েছে ফসল চাষের জন্য।

আবার চৈত্র ও বৈশাখ মাসে পানির স্তর নিচেয় নেমে গেলে তাদের স্যালো মেশিনে পানি উঠতে চায় না। খালটি খনন করলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির ব্যবস্থা হবে। ফলে কৃষকরা সহজেই জমিতে পানি দিতে পারবে। কুল্টি খালি খালটি খনন করা হলে কৃষকদের জমিতে পানি দিতে কোনো সমস্যা হবে না। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে তারা বাম্পার ফলন পাবে বলে অনেকেই আশা করেন। খাল খনন না করার কারণে এখন জমিতে পানির অভাব রয়েছে। খাল খননে পানি সেচের সুবিধা পেলে কৃষকদের ফলন বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে।

শেয়ার করুন

[প্রিয় পাঠক, আপনিও মানবতা টেলিভিশনের অনলাইনে অংশ হয়ে উঠুন।আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনার খবর জানাতে পারেন এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-manobatatelevision@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।[বিদ্র: পরিচয় গোপন রাখার মত বিষয় হলে তা গোপন রাখা হবে]]
এই বিভাগের আরো

সেহরী ও ইফতারের সময়

সেহরির শেষ সময়ঃ ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ
ইফতারের শেষ সময়ঃ ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আসর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
  • দুপুর ১২:০৫ অপরাহ্ণ
  • বিকাল ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
  • সন্ধ্যা ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
  • রাত ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
  • ভোর ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ

পুরানো সংবাদ পড়ুন

MonTueWedThuFriSatSun
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
1234567
891011121314
15161718192021
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       

Advertaisement

Advertaisement

করোনা লাইভ আপডেট

আইপিএল ক্রিকেট লাইভ স্কোর

চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া সংবাদ
২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
সাইট ডিজাইনার সালিকিন মিয়া সাগর-01867010788