ঢাকামঙ্গলবার , ৭ ডিসেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

নিম্নচাপের প্রভাবে ঝিনাইদহে কৃষকের আমন ধান ও বোরো ধানের বীজ ক্ষেত এখন পানির নিচে!

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ-
ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিম্নচাপের প্রভাবে দু’দিন চলেছে বিরতিহীন ভাবে বৃষ্টি। যা মাঠভরা পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। কেননা এ এলাকার অধিকাংশ পাকা আমনের ক্ষেত এখন কাদা পানিতে একাকার। এভাবে কয়েকদিন থাকলে খরচের টাকাও আসবে না কৃষকের ঘরে। কোন কোন ক্ষেতের ধান বৃষ্টির আগেই কেটে গোখাদ্যের জন্য রয়েছে ফেলে রাখা হয়েছে। আবার কোন কোন ক্ষেতের ধান না কাটলেও বৃষ্টি ও বাতাসে মাটিতে নুয়ে পড়ে এখন পানির নিচে। ক্ষেতের ধান নিয়ে এমন বেকায়দায় সব আমন চাষিই। কৃষকদের ধান এখন মাঠে কেটে রেখেছে। আবার বোরো ধানের বীজতলা,রবি ফসল, আলু ক্ষেত ও নষ্ট হয়েছে। কৃষি অফিস বলছেন মাঠে এখন ও প্রায় ১ হাজার বিঘা জমিতে পাকা ধান রয়েছে। ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, দু,দিনের বৃষ্টিতে বাতাসে ক্ষেতের বাইল ভারী সব ধান গাছ মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টিতে নিচু মাঠের জমি গুলোতে আরও বেগতিক অবস্থা। বিল এলাকার ধানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেতের ধান এখন পানিতে ভাসছে।কৃষকরা বলছে অসময়ের বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন না খেয়ে মরতে হবে। ক্ষেতের ধান বাঁচাতে হলে দ্রুতই ভেজা ধান শুকাতে হবে। সে জন্য ভেজা ধান ক্ষেতে পানি থেকে উঠিয়ে অপেক্ষাকৃত উঁচুস্থানে রাখতে হবে। কিন্তু অঝরে পানি পড়তেই আছে কৃষকরা কোন ভাবেই মাঠে যেতে পারছে না। একতারপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম জানান, ক্ষেতের ধান গোখাদ্য বিচালি খড়ের জন্য শুকাচ্ছিলেন। কিন্তু তা তো হলোই না বরং ধান পানির মধ্যে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে। আর গোখাদ্যের মূল্যবান বিচাল পঁচে গলে নষ্ট হচ্ছে। কালুখালি, মধুপুর,কোলাবাজার, কামালহাট, বিনোতপুর কৃষকরা বলছেন এ মৌসুমের আমন ধানের বিচালি বা খড় অনেক বেশি দামে বিক্রি হবে। প্রতি বিঘা জমির বিচালি এখনই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে ধান ও বিচালি উভয়ই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অবস্থা এমন এবার মানুষ হয়তো ধার-দেনা করে বাঁচতে পারবে কিন্তু কৃষকের সম্পদ গবাদি পশু কিভাবে বাঁচবে। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিকদার মোহাম্মদ মোহায়মেন আক্তার জানান, চলতি আমন মৌসুমে এ উপজেলার ধানচাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৫শ’ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ৭শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২শ’ ৫০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। তন্মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ জমির ধান কৃষকেরা ঘরে তুলতে পেরেছেন। বাকিটা ক্ষেতের ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। এভাবে পানি জমে থাকলে রবি ফসল, আমন ধান, ও বোরো ধানের বীজতলা সবই নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বোরো ধানে রোপনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা করা হয়েছে ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে এবং বোরো ধানের বীজতলা রোপনের লক্ষমাত্রা রয়েছে সাড়ে ৬,শ বিঘা জমিতে। কৃষি কর্মকর্তা বলছেন,বোরো ধানের বীজ ক্ষেত,আমন ধান ও রবি ফসলের জমিতে পানি জমে থাকলে কৃষকের অনেকটা ক্ষতি হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।