ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

পাইওনিয়ার ফাইভজি পার্টনার অ্যাওয়ার্ড পেলো হুয়াওয়ে বাংলাদেশ

মানবতা ডেস্ক নিউজ
ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

দেশে ফাইভজি চালু করার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়েকে পাইওনিয়ার ফাইভজি পার্টনার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। গতকাল (১২ ডিসেম্বর) দেশের প্রথম ফাইভজি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার তাও গুয়াংইয়াও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রীর কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত ‘নিউ এরা উইথ ফাইভজি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাইভজি সেবা উন্মোচন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন, গ্রামীণফোন লিমিটেডের সিইও ইয়াসির আজমান এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের সিইও এরিক অস। হুয়াওয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ঝ্যাং ঝেংজুন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালভাবে যুক্ত হন এবং তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশ ও ফাইভজি উন্মোচনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও বার্তা প্রদান করেন।

প্রাথমিকভাবে, ছয়টি সাইটে ফাইভজি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে। সাইটগুলো যেসব এলাকায়, তা হলো: বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল। উল্লেখ্য, এলাকাগুলোর সিংহভাগেই হুয়াওয়ের অবকাঠামোগত সেবা ব্যবহার করা হবে।

অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মূল বিষয় হচ্ছে কানেক্টিভিটি। কানেক্টিভিটির এ যুগে, সবকিছু এখন ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে। আমাদের নেটওয়ার্ক উন্নত না হলে আমরা পিছিয়ে পড়বো। আমি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি’কে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ফাইভজি বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ফাইভজি বাস্তবায়নে অবদান রাখার জন্য আমি হুয়াওয়েকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। যদিও, এখন ফাইভজি এখন খুব অল্প জায়গায় চালু হয়েছে। ধীরে ধীরে ফাইভজি বাংলাদেশেও সব যায়গায় পৌঁছে যাবে। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে চলবো আর ডিজিটাল বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে থাকবে। আমাদের স্বপ্ন বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা।”

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশে যেখানে কেবল ৮ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং মাত্র ৪ কোটি মানুষের মোবাইল কানেকশন ছিল, সেখানে ১৩ বছরের মধ্যে আমরা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং উন্নত প্রযুক্তির বিকাশ ঘটানোর জন্য আমাদের দীর্ঘমেয়াদী ইকো পার্টনার হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কের গুণগত মান নিয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে, সে ব্যাপারে আমি আমাদের বিভিন্ন অপারেটরদের সাথে নিয়ে সকলকে আশ্বস্ত করতে পারি যে, নেটওয়ার্কের বিষয়গুলো আমরা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি এবং এ ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করছি। ফাইভজি টুজি, থ্রিজি’র মতো আরেকটি প্রযুক্তি নয় এবং ফাইভজি গ্রহণ না করলে আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলা করতে পারবো না। টুজি বা ফোরজি যেমন আমাদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সক্ষম, ফাইভজি সেখানে শুধু মোবাইল সেটেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও চিকিৎসা সকল ক্ষেত্রে প্রসার ঘটাবে। ”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।