ঢাকাবুধবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কৃষি-কৃষক
  4. খেলার খবর
  5. চাকরী
  6. চিকিৎসা-করোনা
  7. জাতীয়
  8. দেশ-জুড়ে
  9. ধর্ম-কর্ম
  10. প্রযুক্তি খবর
  11. বিনোদন
  12. বিস্ময়কর
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

সুন্দরবন থেকে দুই হাজার কেজি শিকার নিষিদ্ধ কাঁকড়া উদ্ধার

মৃত্যুঞ্জয় রায় (অপূর্ব) তালা প্রতিনিধি :
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২ ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সুন্দরবন থেকে শিকার নিষিদ্ধ দুই হাজার কেজিরও বেশি কাঁকড়া আটক করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৈখালী কোম্পানী কমান্ডারের নেতৃত্ব শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন বাজারের মোড়ল এন্টারপ্রাইজ নামীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ঐ কাঁকড়া আটক করা হয়। প্রজনন মৌসুম হওয়ার কারণে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালীরা চোরা শিকারী দিয়ে গোপনে সুন্দরবন থেকে ডিমওয়ালা এসব কাঁকড়া শিকার করে আসছিল। তবে অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ কর্মচারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। আগের রাতে সুন্দরবন থেকে চোরা শিকারীদের মাধ্যমে সংগৃহীত শিকার নিষিদ্ধ কাঁকড়ার বিশাল এ চালান ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতিকালে তা আটক করা হয়।

কোস্টগার্ড কৈখালী কোম্পানী কমান্ডার লে: জহিরুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কাঁকড়া শিকার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও জেলে ঠিকই সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া শিকার করে। বিশাল একটি চালান ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতিকালে কোস্টগার্ড সদস্যরা তা আটক করতে সমর্থ হয়েছে। আটককৃত কাঁকড়া বনবিভাগের উপস্থিতিতে সুন্দরবন সংলগ্ন মাদার নদীতে অবমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। কাঁকড়া আটক করা গেলেও কাঁকড়ার মালিকসহ জেলেরা পালিয়ে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এঘটনায় অনুসন্ধান শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বনবিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

এদিকে বনবিভাগের কৈখালী স্টেশন অফিসার হারুন-অর রশিদ জানান, কাঁকড়া শিকার নিষিদ্ধ বলে এখন সাদা মাছের পাশ দেয়া হয়। তবে কিছু জেলে বনে প্রবেশের পর কাঁকড়ার শিকারের মতো অপরাধ করছে।

এদিকে স্থানীয় একাধিক সুত্র নিশ্চিত করে জানিয়েছে, গত সাত-আট দিন পুর্বে বনবিভাগের নিকট থেকে সাদা মাছের পাশ নিয়ে অর্ধশত নৌকা নিয়ে প্রায় শতাধিক জেলেরা সুন্দরবনে যায়। এসময় বনবিভাগের চোখ ফাঁিক দিয়ে সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় অবস্থান করে তারা কাঁকড়া শিকার অব্যাহত রাখার বিষয়টি বনবিভাগের পদস্থ কর্মকর্তাদের স্থানীয় কয়েকটি সুত্র অবহিত করে। এক পর্যায়ে প্রায় দুই দিন অভিযান চালিয়ে বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন অফিসারের নেতৃত্বে বনকর্মীরা মাত্র একটি নৌকাসহ মাত্র ১০ কেজি কাঁকড়া জব্দ করে লোকালয়ে ফিরে আসে।

আকতার আলী, রাকিব হোসেন স্থানীয়রা জানায়, বনবিভাগের অভিযান পরিচালনাকারী টমের সদস্যরা নদী থেকে উঠে আসার পর সোমবার রাতে চোরা শিকারীরা ভিন্ন পথে এসব কাঁকড়া নিয়ে লোকালয়ে ফিরে আসে। পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী যাবতীয় কাঁকড়া একই রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন সুন্দরবন বাজারের মোড়ল এন্টারপ্রাইজে হস্তান্তরের পর মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতিকালে কোস্টগার্ড সদস্যরা তা আটক করে। স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছেলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক রাসেল মাহমুদ মোড়ল জানান, পাশ্ববর্তী বিভিন্ন নার্সিং পয়েন্টের কাঁকড়া ছিল এসব। জব্বদকৃত কাঁকড়ার আনুমানিক মূল্য প্রায় পনেরো লাখ টাকা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

তবে স্থানীয় একাধিক সুত্র নিশ্চিত করে জানিয়েছে রাসেল এন্টারপ্রাইজসহ সুন্দরবন তীরবর্তী এলাকার অর্ধ্বশত প্রতিষ্ঠান জেলেদের মোটা অংকের টাকার লোব দেখিয়ে প্রজনন মৌসুমে সাদা মাছের পাশের আড়ালে কাঁকড়া শিকারে সুন্দরবনে পাঠিয়ে থাকে। প্রজনন মৌসুমে অব্যাহতভাবে কাঁকড়া শিকার হওয়ার দরুন সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে কাঁকড়ার উৎপাদন আশংকাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে বলেও দাবি করেছে স্থানীয় জেলেরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।