সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
Homeদেশজুড়েহিলিতে মসলার দাম কমেছে

হিলিতে মসলার দাম কমেছে

আর মাত্র কয়েক দিন পরে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। আর কোরবানি ঈদে মানেই সব পরিবারে মসলার একান্ত প্রয়োজন। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়লেও দিনাজপুরের হিলি বাজারে মসলার দাম কমেছে।
গত রোজার ঈদে মসলার দাম বাড়লেও এবার কোরবানির ঈদে তা অনেকটাই কমের দিকে এবং খুচরা বিক্রি কম হলেও বেড়েছে মসলার পাইকারি বিক্রি। আর এতে স্বস্তিতে নিঃশ্বাস ফেলছে সাধারণ ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) হিলির সাপ্তাহিক হাট বার ও আজ শুক্রবার বন্ধের দিনে হিলি মসলা বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

জানা গেছে, গত রমজান ঈদে অর্থাৎ ঈদুল ফিতরে মসলার বাজারে সাদা এলাচের দাম ছিলো ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা কেজি, তা বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ২৪০০ টাকা কেজি দরে। ভিয়েতনামার দারচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা আর চায়না দারচিনি ৩৫০ টাকা কেজি দরে। কালো এলাচ ১২০০ টাকা কেজি। লং ১০২০ টাকা কেজি ও গোলমরিচ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে। জিরা প্রতি প্যাকেট(১কজি) মানভেদে ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও আদা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা। রসুন প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা ও ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩২ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকায়।

চলমান কঠোর লকডাউনে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি যেমন কম ছিলো তেমনি সরকার ঘোষিত দোকান ছাড়া অন্য দোকানপাট বন্ধ ছিলো। বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউন শিথিলের পর শুরু হয়েছে বাজারে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর বেচাকেনা। তবে ক্রেতাদের সমাগম অনেকটাই কম। পাশাপাশি মসলা বাজারে খুচরা ক্রেতার উপস্থিতিও ছিলো কম। কিন্তু দুর-দুরান্ত থেকে মসলা নিতে আসছেন পাইকাররা।

হিলি বাজারে মসলা নিতে আসা নাসরিন বেগম বলেন, লকডাউন এর কারনে বাসা থেকে বাহির হয়নি, বাজারেও আসেনি। লকডাউন শিথিল কারায় বাজারে আসলাম। সামনে ঈদ, মসলার দরকার। তবে মনে করছিলাম, লকডাউনের কারনে হয়তো দাম বেশি হবে। তা নয় দেখলাম গত ঈদের চেয়ে এবারের ঈদে মসলার দাম অনেকটাই কম। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে নিঃশ্বাস ফেলছি।

হিলি বাজারে মসলা পাইকারি নিতে আসা ফয়সাল হক বলেন, জয়পুরহাটের কালাই থেকে মসলা পাইকারি কিনতে আসছি। গত রমজানের চেয়ে বর্তমান সাদা ফলের (এলাচি) দাম অনেক কমে গেছে। আর অন্যান্য মসলার দাম স্বাভাবিক রয়েছে।

হিলি বাজারের মসলার ব্যবসায়ী আওয়াল হোসেন বলেন, কোরবানি ঈদের বেচাকেনা এখনও তেমন শুরু হয়নি। ঈদের আর কয়েক দিন বাকি আছে, হয়তো ঈদের আগে পুরাদমে বেচাকেনা শুরু হবে। তার উপর আবার কঠোর লকডাউন ছিলো। সব মিলে খুচরা ক্রেতার উপস্থিতিও কম। তবে বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা পাইকারি মসলা কিনতে আসছেন।

মসলা বাজারের আর এক ব্যবসায়ী জামান মিয়া বলেন, গত ঈদের চেয়ে এই ঈদে মসলার দাম অনেকটাই কম আছে। লকডাউন শিথিলের আজ প্রথম দিন, মনে হচ্ছে তাই আজ বেচাবিক্রি অল্প হচ্ছে। লকডাউন শেষ হলো, আশা করছি ঈদের কয়েক দিন আগে ক্রেতার উপস্থিতি যেমন বাড়বে তেমনি বেচাবিক্রিও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments