সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
Homeদেশজুড়েরংপুর বিভাগহিলিতে মিলছে না প্রয়োজনীয় জ্বরের ঔষধ

হিলিতে মিলছে না প্রয়োজনীয় জ্বরের ঔষধ

করোনা মহামারিতে বর্তমান সময়ে শহর ও গ্রাম-গঞ্জে জ্বরের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার ফার্মেসিগুলোতে মিলছে না প্রয়োজনীয় জ্বরের ঔষধ। দুই-একটি দোকানে মিললেও বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণ দামে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের ফার্মেসি, বাজারের ফার্মেসি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওষুধের দোকানগুলোতে জ্বরের ওষুধ বেক্সিমকো গ্রুপের নাপা সিরাপ, নাপা ট্যাবলেট, নাপা এক্সটেন্ডেড, নাপা এক্সট্রা, নাপা ওয়ান এবং স্কয়ার গ্রুপের এইচএইচ প্লাস, এইচ ৫০০-সহ অন্যান্য কম্পানির প্রয়োজনীয় জ্বরের ঔষধ নেই। যদিও দুই একটি দোকানে আছে তা বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

বাজারে জ্বরের ঔষধ কিনতে আসা শাহরিয়ার আলমাস রক্তিম বলেন, আমার বাড়িতে জ্বরের রোগী, তাই ঔষধের দোকানে জ্বরের ঔষধ নিতে আসলাম। এসে শুনি দোকানে জ্বরের ঔষধই নেই। এখন আমি বিপাকে পড়েছি।

কথা হয় নাসিম আহম্মেদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, সবার ঘরে ঘরে জ্বর দেখে কী কেউ ওষুধের সংকট সৃষ্টি করল কি-না সেটা প্রশাসনকে ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। কারণ আমরা হাসপাতালে গেলে ডাক্তাররা মূলত আমাদের এসব ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু কিনতে গেলে তা আর পাওয়া যাচ্ছে না।

হিলি এলাকার বেক্সিমকো কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিভ আলেমন হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ে ঘরে ঘরে মানুষের জ্বর হওয়ায় উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বাড়ছে। এ কারণে বাজারে সরবরাহ কমেছে। তবে এই মাসের মধ্যে বাজারে ঔষধের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

হাকিমপুর (হিলি) ঔষধ ফার্মেসির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, আমাদের উপজেলায় নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেনসহ এই গ্রুপের ঔষধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. গাদ্দাফী সিকদার বলেন, আমাদের উপজেলায় জ্বরের প্রকোপটা একটু বেশি। বাজারে কোনো ঔষধের সরবরাহ নেই, সেটা আমি বলতে পারব না। তবে জ্বরের সব ধরনের ঔষধ পর্যাপ্ত হাসপাতালে রয়েছে।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর এ আলম বলেন, করোনা মহামারির এ সংকট মুহূর্তে যদি কোনো ফার্মেসি মালিক সংকট তৈরি করে, দাম বেশি নেয় তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, ঔষুধের সংকট তৈরি করে দাম বেশি নিচ্ছে এমন অভিযোগ পেলে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
গোলাম রব্বানী

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments