1. manobatatelevision@gmail.com : Salekin Mia : Salekin Mia Sagor
  2. chuadangatimes24@gmail.com : Manobata Television : Manobata Television
ফিলিস্তিনিদের বিজয় আসবেই » Manobata Television: Bangla online Tv
ঢাকা আজ-রবিবার,১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,সকাল ১১:১৪,গ্রীষ্মকাল
সর্বশেষ প্রকাশিত
মৌলভীবাজারে দুর্লভ ‘আইড ক্যাট স্নেক’ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুগ্ধপোষ্য মুমূর্ষ শিশুকে উদ্ধার করলো ডিবি পুলিশ সেনবাগের দক্ষিণ জনপদের অন্যতম আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজল আলফাডাঙ্গার ধলঝুড়ি গ্রাম পুরুষ শূন্য। ফসলের মাঠ, ব্যবসা সামলাচ্ছেন নারীরা। মামুদকাটী জেলে পল্লীর জেলেরা ত্রান নয়, টেকসই ভেড়িবাঁধ চায় বিরামপুরে রাস্তার পাশে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ  মুজিবনগরে প্রকাশ্যে খুনের বদলে খুন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন আরো ১৬ বীরাঙ্গনা শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সমরেশ মজুমদার সাকিবকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন শিশির ছেলের সামনে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা দামুড়হুদায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু, স্ত্রী আক্রান্ত জাহিদ কুরাইশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম ফেডারেল বিচারক দর্শনা চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরলেন আরও ২২ বাংলাদেশী আজ ১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস চুয়াডাঙ্গায় সার্ভে ষ্টেশন পয়েন্ট এন্ড আর্কিটেক্ট হোম’র উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক চাপায় শাহীন হোসেন নামের স্কুলছাত্র নিহত রোববার থেকে দেশে বৃষ্টি বাড়তে পারে:আবহাওয়া অধিদফতর
ফিলিস্তিনিদের বিজয় আসবেই

ফিলিস্তিনিদের বিজয় আসবেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১, ০৬:০৮: অপরাহ্ণ
  • ২৪ বার দেখা
Manobata Tv m tvnews.com image 422698 1621510840

আজ ফিলিস্তিনে যা হচ্ছে সে বিষয়ে বিশ্বের ক্ষমতাসীন শক্তিগুলো খুবই হাস্যকর একটি বাক্য বারবার ব্যবহার করছে এবং তা হল “ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষার অধিকার আছে …” এর মানে দাঁড়ায়, ইসরায়েল “নিজেকে রক্ষার” জন্য ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যা করতে পারে।

ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনিদের জীবনকে বিষাক্ত করেছে। বিশেষ করে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবের দিনগুলোতে এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীরা আরও চড়াও হয় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর।

মুসলমানদের পবিত্র মাস রমজান থেকে শুরু হওয়া সর্বশেষ সন্ত্রাসী হামলায় এ পর্যন্ত  দুই শতাধিক ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহত প্রতি চারজনের মধ্যে একজন শিশু! এমনকি তাদের মধ্যে এক বছরের শিশুও রয়েছে! কী নিষ্ঠুর, কী বর্বর, কী বীভৎস এই চিত্র!

সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রটি কত পরিবারকে যে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে তার হদিস নেই।

গত কিছুদিন ধরে আপনারা হয়তো নিউজ বুলেটিনে দেখেছেন যে, পুরো পরিবার হারানো এক বাবার বেঁচে থাকা একমাত্র সম্বল তার পাঁচ মাসের শিশুকে জড়িয়ে দৃপ্ত কণ্ঠের সেই ঘোষণা। এত হৃদয়বিদারক এক পরিস্থিতিতেও কিন্তু সেই বাবা এমন এক দৃঢ়তার দৃষ্টান্ত সারা বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করলেন, যা মজলুম জনপদের জন্য বহু বছর ধরে রোল মডেল হয়ে থাকবে। তিনি এমন একজন বিশ্বস্ত পিতা যিনি এই  ক্রান্তিকালেও তার রবের কাছে কৃতজ্ঞ হতে অবহেলা করলেন না। পরিবারের সবাইকে হারিয়েও তিনি দ্ব্যর্থ কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, আলহামদুলিল্লাহ আলা কুললি হাল। সব পরিস্থিতিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি জ্ঞাপন করছি।

2Q==

আবার আমরা দেখলাম, ১০ বছরের এক মেয়ের করুণ আর্তনাদ। পুরো ভিটে-মাটিসহ তার পরিবারটিকে গুড়িয়ে দিয়েছে বর্বর ইসরাইলি বাহিনী। মেয়েটি সারা বিশ্বের কাছে প্রশ্ন তুলছে, তার কী দোষ, তার পরিবারের কী দোষ। শুধু মাত্র মুসলমান হওয়ার কারণেই কেন তাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে? সে এখন কী করবে? কিন্তু তারপরও তার দৃঢ় কণ্ঠের ঘোষণা, সে এই ভূমিতেই থাকবে। কেউ তাদেরকে হটিয়ে দিতে পারবে না।

এই যে আবিচল ইচ্ছা, এই যে ধৈর্য। হয়তো এই ধৈর্যই অত্যাচারীদের ওপর চূড়ান্ত বিজয় এনে দেবে। একথা সত্য যে, একটি  বিজয়ের জন্য খুব উচ্চমূল্য দিতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত,  ফিলিস্তিনি জনগণ বিজয়ী হবেই …

সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সীমাহীন সমর্থনে হয়তো সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল এখন বিজয় দেখছে। সাম্রাজ্যবাদীদের নির্লজ্জ সাপোর্টের কারণেই জায়নবাদিরা আজ কোনও নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে হত্যা করছে শিশু, নারী এবং বয়স্কদেরকে। মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ এই সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রটি করছে, তার ভাগীদার হচ্ছে মানবতার পক্ষে সাফাই গাওয়া সব পশ্চিমা কুলাঙ্গাররাও যারা এখনও চোখ বন্ধ করে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলের এই বর্বরতাকে।

তবে এতো কিছুর পরেও সন্ত্রাসবাদী ইহুদি রাষ্ট্রটি ফিলিস্তিনিদের মনোবলকে একটুও দাবাতে পারেনি। ফিলিস্তিনি  জনগণের মনোবলকে ভেঙ্গে দিতেই মূলত এই হামলা শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু ইসরায়েল যত নিষ্ঠুর হয়, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ তত শক্তিশালী হয়। ফিলিস্তিনিরা বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারা যায়। তারা আহত হয়। কেউ পঙ্গু হয়ে যায় সারা জীবনের জন্য। কেউ সবাইকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়।  বোমা হামলায় তাদের ঘরবাড়ি উড়ে যায়।  চোখের সামনে তাদের আপনজন লাশ হয়ে যায়। তবুও তারা ভয় পায় না, তারা পিছপা হয় না, তারা পালিয়ে যায় না।

তারা রুখে দাঁড়ায়। তারা তাদের নিজেদের ভূমি রক্ষারর জন্য, নিজেদের স্বাধীনতার জন্য যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরে, কঠোর লড়াই চালিয়ে যায়। ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের এই গৌরবময় প্রতিরোধের ফল অবশ্যই পাবে …

এদিকে, বিশ্বের ক্ষমতাসীন শক্তিগুলো মানবতা ও মানবাধিকারকে আরও একবার পদদলিত করলো। যখনই ইসরাইলের কথা আসে তখনই তারা হয়ে যায় বসন্তের কোকিল। সব আন্তর্জাতিক আইন, আদালত, মানবাধিকার, ধর্মীয় অধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার, বাঁচার অধিকার, সব কিছুই তখন নিমিষে উধাও হয়ে যায়। তখন শুধু একটি বাক্যই থাকে তাদের মুখে, আর তা হচ্ছে “ইসরাইলকে রক্ষা করা।”

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার পতাকা উড়াচ্ছে স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার পতাকা উড়াচ্ছে স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যরা সবাই একটি বাক্যই মুখস্ত করেছে এবং তোতাপাখির মতো সে বাক্যটিই সবাই বলে বেড়াচ্ছে, আর তা হল ‘ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষার অধিকার আছে …’

সবকিছু এতটাই স্পষ্ট, ইসরায়েলের এত বেপরোয়া ও বর্বর আগ্রাসন সারা বিশ্বের কাছে এতো নগ্নভাবে উপস্থাপিত হওয়ার পরেও ইসরাইলের এই বর্বর হামলাকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা অনৈতিকতা ব্যতীত আর কী হতে পারে?  আমি জানি না এটাকে আর কী দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে!

তবে সাম্রাজ্যবাদীরা তাদের স্বার্থের জন্য দুনিয়ার কোথাও কখনও এই অনৈতিকতা প্রদর্শন করতে দ্বিধা করেনি, করছে না এবং করবেও না। সুতরাং তাদের এই বিব্রতকর বিবৃতিগুলিতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

তারা ইসরায়েলের মিথ্যা প্রোপাগান্ডাগুলোকেও কিন্তু সত্য বলে চালিয়ে দিতেও যথেষ্ট চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

আমরা যদি গাজা ভূখণ্ডের ১৩ তলা মিডিয়া সেন্টারটির দিকে তাকাই। দেখতে পাবো চোখের পলকে কিভাবে এই বিশাল ভবনটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিল ইসরায়েল। হামাস নাকি ওখানে ঘাঁটি গেঁড়ে বসেছে। আর এই মিথ্যা অজুহাতে পুরো মিডিয়া ভবনটিকে ধ্বংস করে দিলো, গুড়িয়ে দিলো, মাটির সাথে মিশিয়ে দিলো। যে মিডিয়া ভবনে ছিল বিশ্বের বাঘা বাঘা দেশের গণমাধ্যম কর্মীরা। তবুও একটুও কাঁপলোনা ইসরাইলি সন্ত্রাসীদের হাত। তারা এই ভবনটি ধ্বংস করে দিলো পুরো বিশ্বের চোখের সামনে।

আর এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কী বললো? “গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের নিক্ষিপ্ত রকেটগুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধ করা উচিত।” হামলা করলো ইসরাইল, তারা দোষ দিল ফিলিস্তিনিদের।

এরপর মার্কিনীরা আবার এও স্বীকার করলেন যে উক্ত ভবনে হামাসের উপস্থিতি সম্পর্কে তারা কোনও তথ্য প্রমাণ পাননি। অন্যদিকে একই দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরাইলের কাছে প্রায় সাড়ে সাতশো মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিলেন।

যদি এগুলো বিশ্বের অন্য কোথাও ঘটতো তাহলে কি কাণ্ডই না করে ফেলতেন মার্কিনীরা, তাই না?

গাজা থেকে ইসরাইলে যে রকেট হামলা করা হয়েছে, সেগুলো সারা দুনিয়ার সামনে কিন্তু তেমন গুরুত্ব পায়নি। তবুও ফিলিস্তিনিরা সেই স্বল্প আঘাতেই ইসরাইলের মধ্যে এমন ভয় ধরিয়ে দিয়েছে যে হাজার হাজার ইসরাইলি তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদেরকে রক্ষা করছে। ইসরাইলের যেসব এলাকায় ফিলিস্তিনিদের রকেটগুলো আঘাত করেছে সে সব এলাকায় রাস্তাঘাট পুরো ফাঁকা, দোকান পাট বন্ধ, মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে, যারা আছে তারাও দরজা খুলে বাইরে আসার সাহস পাচ্ছে না।

তেল আবিবে হামাসের রকেটের আঘাতে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড নেভানোর চেষ্টা করছে ফায়ার ব্রিগেড। ছবি: আইআরআইবি
তেল আবিবে হামাসের রকেটের আঘাতে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড নেভানোর চেষ্টা করছে ফায়ার ব্রিগেড। ছবি: আইআরআইবি

একবার ভাবুন তো, ফিলিস্তিনিদের কাছে উন্নত অস্ত্র থাকলে কী হতো?

বিশ্বের সবচে বৃহৎ উন্মুক্ত কারাগার হল অবরোধে থাকা গাজা উপত্যকা। সেখানে একদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পাহারা অন্যদিকে মিশরের আবরোধ। এ অবস্থা চলছে বছরের পর বছর। অথচ এই বন্দি অবস্থায় থেকেও সেখানের ফিলিস্তিনিরা  দুই’শ কিলোমিটারেরও বেশি পাল্লার রকেট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে । ইসরাইল সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো কার্যকর কোন প্রতিরোধের মুখোমুখি হলো।

অন্যদিকে কেবল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসবাসকারীরাই নয়, বরং ইসরাইলের সীমান্তের মধ্যে বসবাসকারী আরবরাও দুর্দান্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবার। তাদের প্রতিরোধ এবং বিক্ষোভ ফিলিস্তিনিদের সাহস জুগিয়েছে। ইসরাইলে সাম্প্রতিক বছরগুলোর বৃহত্তম গণ বিক্ষোভ, গণ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় চলছে আরব-ইহুদি সংঘর্ষ।

জাতিগত দাঙ্গায় রূপ নিতে পারে এ সব সংঘর্ষ। নিজের সীমানার মধ্যের এই সংঘর্ষে ইসরাইল ভীষণভাবে আতঙ্কিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলের দ্বারা ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নির্মূল ও গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া দিন দিন বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছে, ইসরাইলের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানিয়েছে ।

যদিও ইহুদিদের অর্থে পরিচালিত এবং জায়নবাদীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো এই বিক্ষোভ এড়াতে তীব্র প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। জার্মানির ডয়চেভেলে তো আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। জার্মান সরকার নিয়ন্ত্রিত এই মিডিয়াটি ইতিমধ্যে একটি নোটিশ জারি করে ইসরাইল বিরোধী সব ধরণের নিউজ নিষিদ্ধ করেছে।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনের মানচিত্রে সেন্সর বসিয়েছে গুগল ম্যাপ এবং অ্যাপল ম্যাপ। জায়নবাদিদের দ্বারা পরিচালিত এই কোম্পানি দুটি ফিলিস্তিনের মানচিত্রকে ঘোলাটে করে রেখেছে। তাদের ইচ্ছা গাজায় সংঘটিত ইসরাইলের বর্বর হামলার চিহ্নকে, বীভৎস আক্রমণকে, বিশাল  ধ্বংসস্তূপকে চোখের আড়াল করে রাখা।  তবে তারা যা চায় তা করতে পারবে না। অর্থাৎ এগুলোকে বিশ্বের চোখের আড়াল করে রাখতে পারবে না।

কারণ, শুধুমাত্র ছোট্ট একটি ভিডিও, একটি ছবি, একটি শিশুর আর্তনাদ, সবকিছু হারানো এক নারীর আহাজারি, পরিবার হারানো এক  বাবার বুকভরা কষ্টের একটি ছবি গোটা বিশ্বের সামনে ইসরাইলের নিষ্ঠুরতাকে নগ্নভাবে উম্মুক্ত করার জন্য যথেষ্ট।

এমনকি ইসরাইলের এবং পশ্চিমা অনেক তারকা ব্যাক্তি, অনেক বড় বড় শিল্পীরাও ইসরাইলের এই বর্বরতা, এই গণ হত্যা  দেখে অবাক। অনেকে এর বিরুদ্ধে মুখও খুলছেন। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী আর জায়ানবাদিদের চাপে তারা মুখ বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ কারণেই কিছু বিখ্যাত শিল্পী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে লেখা তাদের পোস্টগুলি পরবর্তীতে মুছে ফেলতে বাধ্য হয়। তবে এখনও অনেকে যে কোনও মূল্যে ইসরাইলি নিপীড়নের নিন্দা করে যাচ্ছেন।

সর্বোপরি এতো হিংস্রতা, এতো ধ্বংসযজ্ঞ, এতো নৃশংসতা, নিরীহ মানুষ মারার এই পৈশাচিক খেলা সত্ত্বেও ইসরাইল নামক এই সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রটি ফিলিস্তিনিদের মনে ভয় ধরাতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং এর বিপরীতে তারা ফিলিস্তিনিদের আরও শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

ফিলিস্তিনের জনগণ এটি ভাল করেই জানেন যে, কোন বিজয়ই খুব সহজে আসে না। আর বিজয়ের সবচেয়ে প্রধান অস্ত্র হল মনোবল। গত ৭০ বছরেও যে ফিলিস্তিনিদের মনোবল ভাঙতে পারেনি সাম্রাজ্যবাদী আর জায়নবাদিদের সামস্টিক জোট, সেই ফিলিস্তিনিদের বিজয় একদিন আসবেই।

সে প্রত্যাশায়, আজ তাহলে এ পর্যন্তই, ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

শেয়ার করুন

[প্রিয় পাঠক, আপনিও মানবতা টেলিভিশনের অনলাইনে অংশ হয়ে উঠুন।আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনার খবর জানাতে পারেন এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন-manobatatelevision@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।[বিদ্র: পরিচয় গোপন রাখার মত বিষয় হলে তা গোপন রাখা হবে]]
এই বিভাগের আরো

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

পুরানো সংবাদ পড়ুন

MonTueWedThuFriSatSun
14151617181920
21222324252627
282930    
       
1234567
891011121314
15161718192021
293031    
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       

বিজ্ঞাপন

Advertaisement

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Advertaisement

বিজ্ঞাপন

করোনা লাইভ আপডেট

[covid-widget type=”country-card” country=”Bangladesh” bgcolor=”#03803c” critical=”false” active=”false” casesperm=”false” labelcases=”আক্রান্ত” labeldeaths=”মৃত্যু” labelrecovered=”সুস্থ”]

বিজ্ঞাপন

আইপিএল ক্রিকেট লাইভ স্কোর

বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়ার সংবাদ
চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া সংবাদ
২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।